Showing posts with label রাজনীতি. Show all posts
Showing posts with label রাজনীতি. Show all posts

Monday, December 29, 2025

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই

 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ আজ মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে গণমাধ্যমকে জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে জানিয়েছেন, ‘আম্মা আর নেই।’

বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টেও খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বলা হয়েছে, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ সকাল ৬টায় ফজরের ঠিক পরে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আমরা তার রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং সকলের নিকট তার বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া চাচ্ছি।’

খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে গত ২৩ নভেম্বর তাকে দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে শারীরিক অবস্থা ভালো না থাকায় তা সম্ভব হয়নি।

বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপারসন, যিনি ১৯৯১ সাল থেকে তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকারপ্রধান।

১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুর জেলায় ইস্কান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদারের ঘরে তার জন্ম। তার বাবা ভারতের জলপাইগুড়ি থেকে দেশভাগের পর তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে চলে আসেন। তাদের আদি বাড়ি ফেনীতে। তিনি দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং পরে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পড়াশোনা করেন। ১৯৬০ সালে তিনি জিয়াউর রহমানকে বিয়ে করেন।

জিয়াউর রহমান বীর উত্তম রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর বেগম জিয়া ফার্স্ট লেডি হিসেবে তাঁর সঙ্গে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সফরে অংশ নেন। এ সময় তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার এবং নেদারল্যান্ডসের রানি জুলিয়ানাসহ বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

১৯৮১ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রপতি জিয়ার মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি তিনি বিএনপিতে সাধারণ সদস্য হিসেবে যোগ দেন। ১৯৮৩ সালের মার্চে তিনি ভাইস চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৪ সালের আগস্টে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।

বেগম জিয়া দেশের রাজনীতিতে একটি অনন্য রেকর্ডের অধিকারী। তিনি কখনো কোনো আসনে পরাজিত হননি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পাঁচটি পৃথক আসন থেকে নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা তিনটি আসনেই বিজয়ী হন।

আমাদের সকলের প্রিয় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর আমাদের মাঝে নেই। আজ সকাল ৬টায় তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন।

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

সমাপ্ত

ইত্তেফাক/এমএএম



Wednesday, December 24, 2025

সব পথ যেন মিশেছে ৩০০ ফিট সড়কে

 
 ‘লিডার আসছে’।
প্রায় দেড় যুগ ধরে দেশের বুকে নিজের প্রাণপ্রিয় নেতাকে তাঁরা দেখতে পাচ্ছেন না। তবে এবার ‘তিনি’ আসছেন। নিজের চোখে তাই তাঁকে না দেখলেই নয়। নেতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছিল, ততই বাড়ছিল বিএনপি নেতাকর্মী-সমর্থকদের উচ্ছ্বাস।
                        ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট রাস্তা উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার তিনি দেশে ফিরছেন। তাঁকে ঢাকার ৩০০ ফিট সড়কের কাছে তৈরি করা মঞ্চে সংবর্ধনা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তিনি সংবর্ধিত হবেন দলীয় নেতাকর্মী, দেশের মানুষের ভালোবাসায়।
এখানে এই সড়ক ও তার আশপাশে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এসেছেন বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী। তাঁরা উদ্দীপ্ত, তাঁরা উজ্জীবিত। এতটা বছর পর সেই প্রিয় নেতাকে দেখতে গত কয়েক দিন ধরেই দেশের বিভিন্ন পথ ধরে ঢাকায় আসছেন দলের নেতাকর্মী-সমর্থকরা। সেই সঙ্গে সাধারণ মানুষও ভিড় করছেন।
ভিড় ও অন্যান্য ভোগান্তি এড়াতে আগেই উপস্থিত হতে তাঁদের মধ্যে দেখা গেছে অদম্য উৎসাহ।

ঢাকায় যাঁদের আত্মীয়-স্বজন বা থাকার ব্যবস্থা আছে, তাঁরা পথের দুর্ভোগ এড়াতে আগেভাগে ঢাকায় চলে এসেছেন। তবে গত সোমবার থেকে দলবদ্ধভাবে নেতাকর্মীরা ঢাকায় আসতে থাকেন। গতকাল বুধবার রাতেও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রেনে, লঞ্চে, বাসে চেপে নেতাকর্মীরা ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। ঢাকায় পৌঁছার পর নেতাকর্মীরা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সংবর্ধনাস্থল পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়কের মঞ্চ পরিদর্শন করে ছবিসহ নানা তথ্য শেয়ার করেছেন ফেসবুকে।

কেউ সেলফি দিয়েছেন, কেউ লাইভ করেছেন। গতকাল সকাল থেকে ঢাকা ছাড়াও বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে নেতাকর্মীদের দলে দলে ৩০০ ফিট এলাকায় এসে জড়ো হতে দেখা গেছে। তাঁরা সেখানে আসেন বাস ছাড়াও ট্রাক, মিনি ট্রাক, মাইক্রোবাসেও। 

কুমিল্লা, সিলেট, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়াসহ বিভিন্ন জেলা থেকে তাঁরা আসেন। বাগেরহাট জেলা বিএনপির প্রধান সমন্বয়কারী ও সাবেক সভাপতি এম. এ. সালাম জানান, তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে বাগেরহাট থেকে প্রায় ২০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় উপস্থিত থাকবেন। ১৫০টি বাসে নেতাকর্মীরা ঢাকায় আসছেন। এ ছাড়া অনেকে ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল ও গাড়িতেও ঢাকায় পৌঁছেছেন।

 সাতক্ষীরা জেলার সাতটি উপজেলা থেকে ২০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় রওনা হয়েছেন। বরগুনা জেলা থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কমপক্ষে ৫০ হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক বাস ও লঞ্চে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। বরগুনা জেলার বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা থেকে ২৫ থেকে ৩০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকার পথে রওনা দেন।

 এ ছাড়া পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী উপজেলা থেকেও কমপক্ষে ২০ হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলে স্থানীয় বিএনপি সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র : কালের কণ্ঠ




Friday, February 28, 2025

জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান শুরু

 

রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। এরপর পবিত্র গীতা, ত্রিপিটক ও বাইবেল থেকে পাঠ করা হয়। ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠের পর জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

এর আগে স্লোগানে স্লোগানে মিছিল  নিয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জড়ো হন বিপুলসংখ্যক ছাত্র-জনতা। তরুণদের নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশকে ঘিরে পতাকা হাতে মিছিল নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তারা।

আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য রয়েছে আলাদা বসার ব্যবস্থা। সেখানে আমন্ত্রণপত্র ছাড়া সর্বসাধারণ প্রবেশ করতে পারছে না। এর মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা উপস্থিত হয়েছেন।

মঞ্চের সামনে রাজনৈতিক নেতাদের সারিতে আসন গ্রহণ করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা আকবর খান,

 

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেনারেল সেক্রেটারি মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমেদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন্দ ও হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির আহমদ আলী কাসেমী৷বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

এই প্রতিবেদন লেখার সময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত হয়েছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের নির্বাহী সভাপতি মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, খেলাফত মজলিসের নেতা আহমেদ আবদুল কাদের, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব সাখাওয়াত হোসেন রাজী, ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এ কে এম আজহারুল ইসলাম, 

এবি পার্টির নেতা দিদারুল আলম এবং জামায়াতের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল৷অনুষ্ঠানের সামনের সারিতে কূটনীতিকদের জন্যও আসন রাখা হয়েছে৷ এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন ঢাকাস্থ পাকিস্তান হাইকমিশনের পলিটিক্যাল কাউন্সিলর কামরান দাঙ্গাল ও ঢাকায় ভ্যাটিকান সিটির রাষ্ট্রদূত৷তরুণদের নতুন রাজনৈতিক দলে আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত যোদ্ধারাও অংশ নিয়েছেন।

ইত্তেফাক/আরএস


Thursday, January 2, 2025

খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন সেনাপ্রধান

 




বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসভবনে গিয়ে তাঁর স্বাস্থ্যের খোঁজ নেন সেনাপ্রধান। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী বেগম সারাহনাজ কামালিকা রহমান।

সেনাপ্রধান রাত সাড়ে আটটার দিকে গুলশানের বাসভবনে পৌঁছান। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান খালেদা জিয়ার নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহি আকবর।


বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, রাত সাড়ে আটটা থেকে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে খালেদা জিয়ার সঙ্গে আলাপ করেন সেনাপ্রধান ও তাঁর সহধর্মিণী। সেনাপ্রধান প্রার্থনা করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য আগামী সপ্তাহে লন্ডনে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে দিনক্ষণ এখনো নির্ধারণ হয়নি বলে জানিয়েছেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন।


প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির দুই মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তিনি দুই বছরেরও বেশি সময় কারাবন্দী ছিলেন। ২০২০ সালের ২৫ মার্চ আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাহী আদেশে তাঁর সাজা স্থগিত করে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেয়। এরপর প্রতি ছয় মাস পরপর তাঁর মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়। অসুস্থতার কারণে তাঁকে বহুবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে এবং চিকিৎসার জন্য দেশে-বিদেশে বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে থাকতে হয়েছে।ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরদিন, ৬ আগস্ট, খালেদা জিয়াকে নির্বাহী আদেশে মুক্তি দেওয়া হয়। ৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া আর্থ্রাইটিস, হৃদ্‌রোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি এবং ডায়াবেটিসসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন।


Sunday, December 29, 2024

ভোটার তালিকায় যুবকদের যুক্ত করতে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে: সিইসি

ভোটার তালিকায় যুবকদের যুক্ত করতে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে: সিইসি


প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীনছবি: সংগৃহীত

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, ভোটার তালিকায় যুবকদের অন্তর্ভুক্ত করতে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে।

আজ রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদারের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

সিইসি বলেন, "সংস্কার কমিশন আমাদের সঙ্গে আলোচনা করতে এসেছে। কারণ তারা শিগগিরই সরকারের কাছে সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেবেন। আমাদের কোনো সুপারিশ বা মতামত থাকলে তা জানাতে বলেছেন। আমরা বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের উপলব্ধিগুলো তাদের জানিয়েছি।"

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নাসির উদ্দীন বলেন, "ডিলিমিটেশন (সীমানা পুনর্নির্ধারণ) ও ভোটার তালিকা সংক্রান্ত কিছু বিষয় রয়েছে। এছাড়া নির্বাচনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য বিষয়ে আমাদের কিছু সুপারিশ থাকবে। সংস্কার কমিশন সেগুলো গ্রহণ করুক বা না করুক, আমাদের বিষয়গুলো চিহ্নিত করতে হবে। তা না হলে সীমানা পুনর্নির্ধারণ এবং ভোটার তালিকায় যুবকদের অন্তর্ভুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ ঠিকমতো করা সম্ভব হবে না। এজন্য পরিবর্তন প্রয়োজন। আমরা তাদের কাছে আমাদের চাহিদাগুলো তুলে ধরেছি।"

সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার এ সময় বলেন, "সংস্কার প্রতিবেদন ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে জমা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে ৩ জানুয়ারির মধ্যে দেওয়া হবে।" তিনি আরও বলেন, "সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং জানতে চেয়েছি তাদের কোনো প্রস্তাব বা সুপারিশ আছে কি না। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য তাদের মতামত গুরুত্বপূর্ণ।"

Search This Blog

Powered by Blogger.