Showing posts with label বিশ্ব. Show all posts
Showing posts with label বিশ্ব. Show all posts

Tuesday, March 3, 2026

বিপদে যুক্তরাষ্ট্র! 'ফুরিয়ে আসছে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত'

 




ইরান ইসরায়েল যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডার নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টানা হামলার কারণে মার্কিন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ও ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত দ্রুত কমে আসছে। এতে পেন্টাগন সামরিক ও লজিস্টিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।



একজন ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় পাল্টাপাল্টি হামলার তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এই মুহূর্তে টমাহক ল্যান্ড অ্যাটাক মিসাইল, এসএম থ্রি ইন্টারসেপ্টরের মতো সমরাস্ত্রের মজুত কমে গেছে। ধারাবাহিক ব্যবহারের ফলে রিজার্ভ কমে যাওয়ায় পরবর্তী ধাপের হামলা নিয়ে দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে।



মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, অভিযানের প্রথম ধাপেই ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেকটা দুর্বল করা হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে ইরানের ভেতরে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কারখানা, ড্রোন তৈরির কেন্দ্র, নৌ সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, রাশিয়ার সঙ্গে চার বছর ধরে চলা যুদ্ধে ইউক্রেনকে সহায়তা দিতে গিয়ে প্যাট্রিয়ট মিসাইলের বড় অংশ ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে এখন ইরানের দিক থেকে আসা হামলা প্রতিরোধে প্যাট্রিয়ট মিসাইলের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টকম দাবি করেছে, শনিবার থেকে শুরু হওয়া অভিযানে ওমান উপসাগরে থাকা ইরানের ১১টি নৌযান ধ্বংস করা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ ৪৯ জন শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন। রবিবার রাতে মার্কিন বি টু স্টিলথ বোমারু বিমান ইরানের সুরক্ষিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।



এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রেরও ক্ষয়ক্ষতির খবর এসেছে। হামলা শুরুর পর থেকে অন্তত ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত, ১৮ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে। ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি বলেছে, তাদের প্রতিশোধমূলক ট্রু প্রমিজ ফোর অভিযানের প্রথম দুই দিনে ৬৫০ জনের বেশি মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা ও সদস্য নিহত বা আহত হয়েছেন।



আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহাম্মদ নায়েইনি বলেছেন, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর সদরদপ্তর, যুদ্ধজাহাজে হামলার পর ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ইরানের উপকূলীয় জলসীমা থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে।

নায়েইনি দাবি করেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র হতাহতের তথ্য গোপন করতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সূত্র : টিআরটি ওয়ার্ল্ড ও তাসনিম নিউজ এজেন্সি।

বিডি প্রতিদিন/আশিক



Monday, January 19, 2026

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারাত্মক দ্রুতগতির ট্রেন দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন

উদ্ধারকারীরা এখনও দুর্ঘটনাস্থলে ধ্বংসাবশেষ অনুসন্ধান করছেন।

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ দক্ষিণ স্পেনে দুটি দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে কমপক্ষে ৪০ জন নিহত হওয়ার কারণ অনুসন্ধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, উদ্ধারকারীরা ধ্বংসাবশেষ অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছেন।

দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর, সানচেজ নিহতদের জন্য তিন দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছেন।

রবিবার সন্ধ্যায় আদামুজে মাদ্রিদগামী একটি ট্রেনের দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে বিপরীত লাইনে চলে যাওয়ার ফলে আরও ১২০ জনেরও বেশি লোক আহত হয়েছেন।

এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে দেশটিতে দেখা সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা।

রেল নেটওয়ার্ক অপারেটর আদিফ জানিয়েছেন, রবিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭:৪৫ (১৮:৪৫ GMT) এ সংঘর্ষটি ঘটে, মালাগা থেকে উত্তরে মাদ্রিদের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার প্রায় এক ঘন্টা পরে, কর্ডোবা শহরের কাছে একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়।

পরিবহনমন্ত্রী অস্কার পুয়েন্তের মতে, দুর্ঘটনার তীব্রতা দ্বিতীয় ট্রেনের দুটি বগিকে একটি বাঁধে ঠেলে দেয়। তিনি আরও বলেন, নিহত ও আহতদের বেশিরভাগই দ্বিতীয় ট্রেনের সামনের বগিতে ছিলেন, যা মাদ্রিদ থেকে দক্ষিণে হুয়েলভা যাচ্ছিল।

উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে যে ট্রেনের ধ্বংসাবশেষ দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়ার কারণে বগির ভেতরে আটকে পড়া লোকজনকে উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

সোমবার বিকেলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে সানচেজ দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

"এটি সমগ্র স্পেনের জন্য, আমাদের সমগ্র দেশের জন্য শোকের দিন," তিনি সাংবাদিকদের বলেন।

"আমরা সত্যের কাছে পৌঁছাবো, আমরা উত্তর খুঁজে বের করবো, এবং যখন এই ট্র্যাজেডির উৎপত্তি এবং কারণ সম্পর্কে উত্তর জানা যাবে, কারণ এটি অন্যথায় হতে পারে না, তখন সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা এবং স্পষ্টতার সাথে আমরা এটি জনসমক্ষে প্রকাশ করবো।"

পুয়েন্তে বলেন যে তদন্তে কমপক্ষে এক মাস সময় লাগতে পারে, ঘটনাটিকে "অত্যন্ত অদ্ভুত" বলে বর্ণনা করে।
সূত্র : বিবিসি নিউজ


 

Friday, January 16, 2026

বিশ্ব সংবাদ যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা স্থগিতের তালিকায় বাংলাদেশসহ রয়েছে যেসব দেশ

 

৭৫ দেশের নাগরিকদের সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রদান স্থগিত করা হচ্ছে।
বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন অভিবাসন ভিসা প্রদান পুরোপুরি স্থগিত করার এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই নির্দেশনার ফলে তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকরা আর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পাবেন না। 

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। 

মূলত যেসব দেশের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর দেশটির সরকারি সহায়তা বা সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, তাঁদের প্রবেশ ঠেকাতেই ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে বিশ্বের ৭৫টি দেশের কনস্যুলার অফিসে এই সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশনা পাঠিয়ে ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করার আদেশ দিয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টমি পিগট এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে জানিয়েছেন যে, বর্তমানে ভিসা প্রদান ও যাচাই-বাছাইয়ের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়া চলাকালীন নির্দিষ্ট ওই ৭৫টি দেশের নাগরিকদের কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। 

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যারা বিদেশি নাগরিক হয়েও আমেরিকার সরকারি ত্রাণ বা সুযোগ-সুবিধার ওপর নির্ভর করতে পারেন, তাঁদের প্রবেশ বন্ধ রাখা রাষ্ট্রের বর্তমান অগ্রাধিকার। অভিবাসন প্রক্রিয়া পুনরায় মূল্যায়ন করে কল্যাণ ভাতা গ্রহণের প্রবণতা কমানোর আগ পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে। তবে কত দিন পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে, সে বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নথিতে সুনির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি।

এই পদক্ষেপের নেপথ্যে গত ৪ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্ট বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে। ট্রাম্প তাঁর ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ অ্যাকাউন্টে ১২০টি দেশের একটি তালিকা প্রকাশ করেন, যেখানে দেখানো হয়েছে কোন দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বেশি সরকারি সহায়তা (ওয়েলফেয়ার) নিচ্ছেন। ওই তালিকায় ১৯তম অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ। 

তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসী পরিবারগুলোর ৫৪.৮ শতাংশই কোনো না কোনোভাবে সরকারি সুবিধা গ্রহণ করে থাকে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নেপাল ও ভুটানের নাম থাকলেও ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে এই তালিকায় রাখা হয়নি।

ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে প্রকাশিত ৭৫টি দেশের পূর্ণাঙ্গ তালিকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরান, ইরাক, মিশর এবং রাশিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর নাম রয়েছে। এছাড়া তালিকায় রয়েছে আফগানিস্তান, আলবেনিয়া, ব্রাজিল, কিউবা, ইথিওপিয়া, নাইজেরিয়া, সিরিয়া, উজবেকিস্তান ও ইয়েমেনের মতো দেশগুলো। 

নির্দেশনায় বলা হয়েছে যে, বিদ্যমান আইনের আওতায় কনস্যুলার কর্মকর্তারা এখন থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই দেশগুলোর নাগরিকদের ভিসা দিতে পারবেন না। এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের ফলে হাজার হাজার ভিসা প্রত্যাশী শিক্ষার্থী, পর্যটক ও অভিবাসন প্রত্যাশীরা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন, যা বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।

সূত্র: ফক্স নিউজ


Wednesday, January 14, 2026

ইরানে হামলা নিয়ে কেন দোটানায় ট্রাম্প?


             ---মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প/ফাইল ছবি

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে সমর্থন দিয়ে একের পর এক নতুন বার্তা দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সর্বশেষ বার্তায় তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভকারীদের ফাঁসিতে ঝুলালে যুক্তরাষ্ট্র ‘অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ’ নেবে।

এর আগে এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, “ইরানি দেশপ্রেমিকরা, বিক্ষোভ চালিয়ে যান, আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিন। হত্যাকারী ও নির্যাতনকারীদের নাম সংরক্ষণ করুন। তাদের চড়া মূল্য দিতে হবে। বিক্ষোভকারীদের হত্যাকাণ্ড বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক আমি বাতিল করেছি।”

এদিকে, ইরানে বিক্ষোভ দমনে ভয়াবহ বলপ্রয়োগের প্রেক্ষাপটে মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের যৌক্তিকতা ওয়াশিংটনে আরও জোরালো হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে দিয়ে অনিবার্য সিদ্ধান্তের দিকে নিজেকেই ঠেলে দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করলে তেহরানের বিরুদ্ধে ‘কঠোর পদক্ষেপ’ নেওয়া হবে। তবে এটি সরাসরি সামরিক হামলার ঘোষণা নয়, বিশ্লেষকদের মতে-প্রতীকী বা সীমিত কোনও অভিযান ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরোধক্ষমতার বিশ্বাসযোগ্যতাকেই দুর্বল করে দিতে পারে।

সাবেক মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সিআইএ পরিচালক লিয়ন পানেটা সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানি জনগণকে বলেছেন-সহায়তা আসছে। এখন কিছু না করলে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাসযোগ্যতাই প্রশ্নের মুখে পড়বে।” তার মতে, এটি পূর্ণমাত্রা বা সর্বাত্মক যুদ্ধ নাও হতে পারে, তবে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ জরুরি।

মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেও চাপ বাড়ছে। ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট নয়। ট্রাম্পের বারবার দেওয়া হুঁশিয়ারি বিক্ষোভকারীদের মধ্যেও প্রত্যাশা তৈরি করেছে- তারা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অন্তত একটি ‘ঢাল’ আশা করছে।

কৌশলগত দিক থেকেও ট্রাম্পের সামনে সুযোগ আছে বলে মনে করছেন অনেকে। অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত ইরান অভ্যন্তরীণভাবে দুর্বল, ৮৬ বছর বয়সী সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে ঘিরে উত্তরাধিকার প্রশ্নও অনিশ্চিত। গত বছর ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে ইরানের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বের বড় অংশ নিহত হওয়ায় দেশটির আঞ্চলিক প্রভাবও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তবু ইতিহাস সতর্ক করছে। ভিয়েতনাম থেকে শুরু করে ইরাক, আফগানিস্তান ও লিবিয়া— সব ক্ষেত্রেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ শুরুতে কিছুটা যুক্তিসংগত মনে হলেও পরিণতি হয়েছে জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী। প্রশ্ন উঠছে— মার্কিন হামলা কি সত্যিই ইরানি বিক্ষোভকারীদের রক্ষা করবে, নাকি উল্টোভাবে সরকারের দমননীতি আরও কঠোর করবে?

ইরানের মতো গভীর ইতিহাস ও শক্তিশালী জাতীয় পরিচয়ের দেশে বাইরে থেকে গণতন্ত্র চাপিয়ে দেওয়া যে প্রায় অসম্ভব, তা স্বীকার করছেন বিশ্লেষকেরা। ট্রাম্প নিজেও স্বীকার করেছেন অনিশ্চয়তা এবং সংকট। মঙ্গলবার এক সাংবাদিকের প্রশ্নে তিনি বলেন, “এতে বিক্ষোভকারীরা রক্ষা পাবে কি না— আপনি কখনওই নিশ্চিত হতে পারেন না।” এই ‘আপনি কখনওই নিশ্চিত হতে পারবেন না’—এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে ইরান সংকটে ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকি। সূত্র: সিএনএন

  সূত্র :  বিডি প্রতিদিন


                                      

Monday, January 5, 2026

বিশ্ব সংবাদ নিউইয়র্কের আদালতে হাজির করা হয়েছে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে




ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আদালতে নেওয়া হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে নিউইয়র্ক সিটির ব্রুকলিনের একটি আটককেন্দ্র থেকে ম্যানহাটনের একটি আদালতে নেওয়া হয়েছে।
আল জাজিরা জানিয়েছে, মাদুরো যেখানে বন্দী, সেখানে তার ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমস্যা রয়েছে- কর্মীর সংখ্যাও কম। সহিংসতা এবং নিয়ন্ত্রণের অভাব নিয়েও সমস্যা রয়েছে।
 এর আগে গত শনিবার গভীর রাতে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে সামরিক অভিযান চালিয়ে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র।

এরপর মাদুরোকে তুলে নেওয়ার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন, 'মাদুরোর সময়ে ভেনেজুয়েলা যে অবস্থায় পৌঁছেছিল, তার চেয়ে খারাপ অবস্থায় যাওয়া দেশটির পক্ষে সম্ভব ছিল না।'

ভেনেজুয়েলার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ বা তার নেতৃত্বাধীন সরকার যদি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তাহলে দেশটিতে আবারও সামরিক হামলা চালানো হতে পারে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, সম্ভাব্য হামলা আগের চেয়ে আরও ভয়াবহ হতে পারে।

  সূত্র : ইত্তেফাক

Monday, October 20, 2025

গাজার ২০ হাজারের বেশি শিশু কি সন্ত্রাসী ছিল, ট্রাম্পকে প্রশ্ন খামেনির

 

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনি। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রকে গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার মূল সহযোগী উল্লেখ করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনি বলেছেন, 'মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলছেন যে, তারা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। চার বছর বয়সী, পাঁচ বছর বয়সী এবং নবজাতক - তোমরা তাদের মধ্যে ২০ হাজারেরও বেশি হত্যা করেছ! এই শিশুরা কি সন্ত্রাসী ছিল? তোমরাই সন্ত্রাসী!'

সোমবার (২০ অক্টোবর) এক বক্তৃতায় খামেনি বলেন, 'মার্কিন সম্পদ এবং অস্ত্রশস্ত্র জায়নবাদী সরকারকে প্রচুর পরিমাণে সরবরাহ করা হয়েছে - যাতে গাজার অসহায় জনগণের ওপর তা নিক্ষেপ করা যায়। এই অপরাধের অংশীদার হলো যুক্তরাষ্ট্র।'

সম্প্রতি মিশরে গাজা শীর্ষ সম্মেলনে ট্রাম্পের দেওয়া বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে খামেনি বলেন, 'মার্কিন প্রেসিডেন্ট শুধু কিছু কথা এবং বাহবা দিয়ে অধিকৃত ফিলিস্তিনে বসবাসরত হতাশ জ্যনবাদীদের আশা জাগানোর এবং মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের অধিকৃত ফিলিস্তিন ভ্রমণ সম্পর্কে এটি আমার বিশ্লেষণ।'

তিনি সতর্ক করে বলেন, 'ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলো জায়নবাদী সরকারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের গভীরতা ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছিল। সশস্ত্র বাহিনী এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ব্যবহার করেছে এবং প্রয়োজনে আবারও এগুলো ব্যবহার করবে।'

খামেনি উল্লেখ করেন, 'জায়নবাদীরা আশা করেনি যে, ইরানি যুবকদের হাতে তৈরি একটি ক্ষেপণাস্ত্র তার আগুন এবং অগ্নিশিখার সাহায্যে তাদের (ইসরায়েলি) কিছু সংবেদনশীল গবেষণা কেন্দ্রের গভীরতা ছাই করে ফেলবে। কিন্তু তাই ঘটেছে।'

তিনি আরও বলেন, 'মার্কিন প্রেসিডেন্ট গর্ব করে বলছেন যে, তারা ইরানের পারমাণবিক শিল্পে বোমা হামলা চালিয়ে ধ্বংস করে দিয়েছে। খুব ভালো, তোমার স্বপ্নে!'

সূত্র : ইত্তেফাক


Tuesday, October 14, 2025

ভেনিজুয়েলায় স্বর্ণখনি ধসে নিহত ১৪



সংগৃহীত ছবি

ভেনিজুয়েলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এল কালাও এলাকায় প্রবল বৃষ্টিপাতের প্রভাবে একটি স্বর্ণখনি ধসে কমপক্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাতে সোমবার (১৩ অক্টোবর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা এপি। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বলিভার অঙ্গরাজ্যের অপারেশনাল জোন ফর ড্যামেজ অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড নিডস অ্যানালাইসিস (জেডওইডিএএন) এর প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গ্রেগরি গনজালেস আসেভেদোর নেতৃত্বে নিহতদের মরদেহ উদ্ধারের জন্য একটি কমান্ড পোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।

সরকারি সংস্থার এক বিবৃতিতে বলা হয়, রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ৮৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বের এল কালাও শহরের কুয়াত্রো এসকিনাস দে কারাতাল খনির তিনটি আলাদা শ্যাফটে (খনির গহ্বর) এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, খনির ভেতর থেকে পানি পাম্প করে বের করার মাধ্যমে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। তবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

এল কালাও শহরের প্রায় ৩০ হাজার বাসিন্দা মূলত সোনার খনির ওপর নির্ভরশীল। শহরের অধিকাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে খনির সঙ্গে যুক্ত।

ভেনিজুয়েলায় সোনা, তামা, হীরা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর অনেক খনি থাকলেও এসব খনিতে নিরাপত্তাহীন পরিবেশ ও অপর্যাপ্ত তদারকি দীর্ঘদিনের সমস্যা বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র : কালের কন্ঠ


Tuesday, September 23, 2025

ফিলিস্তিনকে কতটি দেশ স্বীকৃতি দিলো, বাংলাদেশ কবে দিয়েছে

 

যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, পর্তুগালের পর এবার ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, আন্দোর্রা, মোনাকো। এর আগে চলতি বছরের ২০ মার্চ মেক্সিকো সরকার জানায়, তারা ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। ১৯৮৮ সালে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ।

এর মধ্যদিয়ে জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্যের মধ্যে ১৫৬টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিল। গাজায় ইসরায়েলি যুদ্ধ অধিকৃত পশ্চিম তীরে দখলদারির বিরুদ্ধে প্রতীকী প্রতিক্রিয়া হিসেবে পশ্চিমা দেশগুলো স্বীকৃতির দিয়েছে। এসব দেশের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের দাবি আরও জোরালো হয়ে উঠল।

ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ এই স্বীকৃতিকে স্বাগত জানিয়েছে। স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসও। আর যথারীতি তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসরায়েল।

২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় নতুন করে নির্বিচার হামলা শুরু করে ইসরায়েল। দুই বছর হতে চলল, গাজায় নিহতের সংখ্যা এরই মধ্যে ৬৫ হাজার ছাড়িয়েছে। ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকাটির ২১ লাখ বাসিন্দার প্রায় সবাই একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

সম্প্রতি গাজার বৃহত্তম শহর গাজা নগরীতে সর্বাত্মক হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। উদ্দেশ্য একটাই, জনবহুল এই নগরী পুরোপুরি খালি করে দখলে নেওয়া। পরিস্থিতিতে যুদ্ধ জাগিত নিধন বন্ধে ইসরায়েলকে বাধ্য করতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্য পশ্চিমা দেশের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ ক্রমেই বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, চাপ আরও বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি।

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে যেসব দেশ

পর্যন্ত জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্যের মধ্যে ১৫১টি দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এর মধ্যে এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন মধ্য আমেরিকার দেশই বেশি।

২০২৫ সালে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, মেক্সিকো, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, আন্দোর্রা, মোনাকো।

২০২৪ সালে আর্মেনিয়া, স্লোভেনিয়া, আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে, স্পেন, বাহামা, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, জ্যামাইকা, বার্বাডোজ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

২০১৯ সালে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, ২০১৮ কলম্বিয়া, ২০১৫ সেন্ট লুসিয়া, হলি সি, ২০১৪ সুইডেন, ২০১৩ হাইতি, গুয়াতেমালা, ২০১২ সালে থাইল্যান্ড, ২০১১ সালে আইসল্যান্ড, ব্রাজিল, গ্রানাডা, অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বারবুডা, ডমিনিকা, বেলিজ, সেন্ট ভিনসেন্ট, হন্ডুরাস, এল সালভাদর, সিরিয়া, দক্ষিণ সুদান, লাইবেরিয়া, লেসোথো, উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে, সুরিনাম, পেরু, গায়ানা, চিলি, ২০১০ সালে ইকুয়েডর, বলিভিয়া, আর্জেন্টিনা, ২০০৯ সালে ডমিনিকান প্রজাতন্ত্র, ভেনেজুয়েলা, ২০০৮ সালে আইভরি কোস্ট, লেবানন, কোস্টারিকা, ২০০৬ সালে মন্টেনেগ্রো, ২০০৪ সালে পূর্ব তিমুর, ১৯৯৮ সালে মালাউয়ি, ১৯৯৫ সালে  কিরগিজস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাপুয়া নিউগিনি, ১৯৯৪ সালে উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান, ১৯৯২ সালে বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, জর্জিয়া, তুর্কমেনিস্তান, আজারবাইজান, কাজাখস্তান, ১৯৯১ সালে ইসওয়াতিনি, ১৯৮৯ সালে ফিলিপাইন, ভানুয়াতু, বেনিন, ইকুয়েটরিয়াল গিনি, কেনিয়া, ইথিওপিয়া, রুয়ান্ডা ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়।

১৯৮৮ সালে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয় বাংলাদেশ, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, ভুটান, বুরুন্ডি, বতসোয়ানা, নেপাল, গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গো, পোল্যান্ড, ওমান, গ্যাবন, সাও তোমে অ্যান্ড প্রিন্সেপ, মোজাম্বিক, অ্যাঙ্গোলা, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, সিয়েরা লিওন, উগান্ডা, লাওস, চাদ, ঘানা, টোগো, জিম্বাবুয়ে,

মালদ্বীপ, বুলগেরিয়া, কেপ ভার্দে, উত্তর কোরিয়া, নাইজার, রোমানিয়া, তানজানিয়া, হাঙ্গেরি, মঙ্গোলিয়া, সেনেগাল, বুরকিনা ফাসো, কম্বোডিয়া, কমোরোস, গিনি, মালি, গিনি বিসাউ, চীন, বেলারুশ, নামিবিয়া, রাশিয়া, ইউক্রেন, ভিয়েতনাম, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, মিসর, গাম্বিয়া, ভারত, নাইজেরিয়া, সিশেলস, স্লোভাকিয়া, শ্রীলঙ্কা, আলবেনিয়া, ব্রুনেই, জিবুতি, মরিশাস, সুদান, আফগানিস্তান, কিউবা, জর্ডান, মাদাগাস্কার, নিকারাগুয়া, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, সার্বিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জাম্বিয়া, আলজেরিয়া, বাহরাইন, ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, মালয়েশিয়া, মৌরিতানিয়া, সোমালিয়া, তিউনিসিয়া, তুরস্ক, ইয়েমেন, মরক্কো, ইরান।

এদিকে, বিশ্বের ধনী দেশগুলোর জোট জি--এর সদস্যদের মধ্যে প্রথম ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিল যুক্তরাজ্য, কানাডা ফ্রান্স। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পাঁচটি স্থায়ী সদস্যদেশ রয়েছেযুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন রাশিয়া। এই পাঁচ দেশের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। স্থায়ী পাঁচ সদস্যের মধ্যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে পর্যন্ত শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয়নি।

২০১২ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ফিলিস্তিনকেসদস্যবহির্ভূত পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রহিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ফিলিস্তিনের পূর্ণ সদস্যপদ অর্জনের প্রস্তাব নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপন করা হলেও যুক্তরাষ্ট্র তাতে ভেটো দেয়।

পরের মাসে (মে ২০২৪) সাধারণ অধিবেশনে একটি প্রস্তাব পাস হয়। প্রস্তাব ফিলিস্তিনকে জাতিসংঘেরপূর্ণ সদস্য হওয়ার যোগ্যহিসেবে বিবেচনা নিরাপত্তা পরিষদকে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে উৎসাহী হতে বলে। তবে ফিলিস্তিন এখনো জাতিসংঘে পূর্ণ সদস্যপদ পায়নি।

ইত্তেফাক/এটিএন

  


Search This Blog

Powered by Blogger.