Friday, June 5, 2026

কোন দেশ কতবার বিশ্বকাপ জিতেছে

 





ফুটবল বিশ্বকাপ—বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ক্রীড়া আসর। প্রায় এক শতাব্দীর ইতিহাসে বিভিন্ন দেশ একাধিকবার এই শিরোপা জিতেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বকাপের উত্তেজনা যেমন বেড়েছে, তেমনি বদলেছে চ্যাম্পিয়নদের তালিকাও।



এ পর্যন্ত সবচেয়ে সফল দল হিসেবে শীর্ষে রয়েছে ব্রাজিল। তারা মোট ৫ বার বিশ্বকাপ জিতেছে। ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ এবং ২০০২ সালে শিরোপা জিতে ব্রাজিল ফুটবল ইতিহাসে নিজেদের আলাদা উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

এরপর যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দুই ইউরোপীয় পরাশক্তি—জার্মানি ও ইতালি। উভয় দলই ৪ বার করে বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে। ইতালি ১৯৩৪, ১৯৩৮, ১৯৮২ ও ২০০৬ সালে এবং জার্মানি ১৯৫৪, ১৯৭৪, ১৯৯০ ও ২০১৪ সালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

তৃতীয় স্থানে রয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তারা এখন পর্যন্ত ৩ বার বিশ্বকাপ জিতেছে—১৯৭৮, ১৯৮৬ এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে।

দুইবার করে শিরোপা জিতেছে ফ্রান্স এবং উরুগুয়ে। ফ্রান্স ১৯৯৮ ও ২০১৮ সালে এবং উরুগুয়ে ১৯৩০ ও ১৯৫০ সালে বিশ্বকাপ জয় করেছে।

এছাড়া একবার করে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছে ইংল্যান্ড (১৯৬৬ সাল) এবং স্পেন (২০১০ সাল)।

সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে এখন পর্যন্ত মাত্র আটটি দেশ শিরোপা জিতেছে। প্রতিটি আসরেই নতুন চ্যাম্পিয়নের অপেক্ষায় থাকে ফুটবল বিশ্ব, আর সেই প্রতিযোগিতাই বিশ্বকাপকে করে তুলেছে আরও অনন্য ও রোমাঞ্চকর।

সূত্র: কালের কণ্ঠ

Thursday, June 4, 2026

বিশ্বকাপ ফুটবলে আসছে একগুচ্ছ নতুন নিয়ম

 






আসন্ন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ফুটবলের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়মে পরিবর্তন এনেছে আইনপ্রণেতা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি)। যদিও নতুন নিয়মগুলো ২০২৬-২৭ মৌসুম থেকে কার্যকর হওয়ার কথা, তবে বিশ্বকাপই হতে যাচ্ছে এসব পরিবর্তনের প্রথম বড় পরীক্ষার মঞ্চ।


মুখ ঢেকে কথা বলা

খেলার মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্তে কোনো খেলোয়াড় যদি হাত, বাহু বা জার্সি দিয়ে মুখ ঢেকে কথা বলেন, তাহলে তাকে লাল কার্ড খেতে হবে। তবে বিপক্ষ দলে খেলা স্বদেশি সতীর্থদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আলাপের সময় মুখ ঢাকলে শাস্তি দেওয়া হবে না।

প্রতিবাদে মাঠ ছেড়ে যাওয়া

অনেক সময় দেখা যায় রেফারির সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেন না খেলোয়াড়। রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে কোনো খেলোয়াড় মাঠ ছেড়ে গেলে তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেওয়া হবে। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে সেই দলের কর্মকর্তার ক্ষেত্রেও, যিনি খেলোয়াড়দের মাঠ ছাড়তে উসকানি দেবেন। কোনো দলের কারণে ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে সেই দলকে পরাজিত ঘোষণা করা হবে।

থ্রো-ইন ও গোলকিক কাউন্টডাউন

রেফারি হাত তুলে পাঁচ সেকেন্ডের দৃশ্যমান কাউন্টডাউন শুরু করবেন। থ্রো-ইনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বল মাঠে না আসলে প্রতিপক্ষকে থ্রো-ইন দেওয়া হবে। গোলকিকের ক্ষেত্রে কাউন্টডাউন শেষেও কিক না নেওয়া হলে প্রতিপক্ষকে কর্নার কিক দেওয়া হবে।

মাঠে চিকিৎসা গ্রহণ

ফুটবলে হরহামেশাই খেলোয়াড়রা ইনজুরিতে পড়তে পারেন। এজন্য চিকিৎসা কর্মীরা মাঠে প্রবেশ করে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। সেই আউটফিল্ড খেলোয়াড়কে খেলা পুনরায় শুরুর পর এক মিনিটের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে। তবে গোলরক্ষকের আঘাত, গোলরক্ষক ও আউটফিল্ড খেলোয়াড়ের মধ্যে সংঘর্ষ, সতীর্থদের মধ্যে সংঘর্ষ, গুরুতর আঘাত (যেমন- কনকাশন বা মাথার আঘাত) এবং পেনাল্টি নেওয়ার আগে কেউ আহত হলে ব্যতিক্রম প্রযোজ্য হবে।

বদলি খেলোয়াড়ের নিয়ম

বদলির বোর্ড দেখানোর পর খেলোয়াড়ের কাছের বাউন্ডারি লাইন দিয়ে ১০ সেকেন্ডের মধ্যে মাঠ ছাড়তে হবে। নির্ধারিত সময়ে মাঠ না ছাড়লে, পুনরায় খেলা শুরুর এক মিনিট পর প্রথম বিরতিতে রেফারির সংকেতে বিকল্প খেলোয়াড় মাঠে নামতে পারবেন। তবে খেলোয়াড়ের আঘাত বা নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম থাকবে।

ভিএআরের ব্যবহার

ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ভিএআরের পরিধি আরও বাড়ানো হচ্ছে। ২০১৭ সালে ফিফা প্রতিযোগিতায় প্রথম ব্যবহার এবং ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে প্রথম প্রয়োগের পর এবার ভিএআর আরও বেশি ক্ষেত্রে কাজ করবে। এখন থেকে স্পষ্ট ভুলে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেওয়া হলে বা ভুল খেলোয়াড়কে কার্ড দেওয়া হলেও ভিএআর হস্তক্ষেপ করতে পারবে। ভুল কর্নার কিকের ক্ষেত্রেও সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে সংশোধন করা গেলে ভিএআর ব্যবহার করা যাবে। এ ছাড়া সেট পিস থেকে বল মাঠে আসার আগে ফাউল হলেও ভিএআর হস্তক্ষেপ করতে পারবে।

হাইড্রেশন বিরতি

প্রতিটি ম্যাচে প্রতি হাফে একটি করে তিন মিনিটের পানি পানের বিরতি থাকবে। যা প্রতি হাফের মাঝামাঝি সময়ে, অর্থাৎ প্রায় ২২তম মিনিটে নেওয়া হবে। তবে রেফারিকে সময় নির্ধারণে কিছুটা নমনীয়তা দেওয়া হয়েছে।র্

গোলরক্ষকের চিকিৎসা

মাঠে গোলরক্ষক চিকিৎসা নেওয়ার সময় উভয় দলের খেলোয়াড়রা মাঠ ছেড়ে নিজেদের কোচের সাথে 'টাইমআউট' নিতে পারবেন না।

সূত্র: যুগান্তর



Wednesday, May 13, 2026

ঘনীভূত হচ্ছে লঘুচাপ, ৫ দিন বৃষ্টির আভাস

 

ছবি: সংগৃহীত


দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়া, বজ্রপাত ও ভারী বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।


বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, সুস্পষ্ট লঘুচাপটির বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বিস্তৃত রয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গা এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।



এ সময় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। তবে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।র্



এ সময় উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে তাপমাত্রা সামান্য কমলেও দেশের অন্যত্র কিছুটা বাড়তে পারে।

শুক্রবার ও শনিবারও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বিশেষ করে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণও হতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রায় সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।



রোববার পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।


আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ। এ সময় দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছিল।

সূত্র: কালবেলা



Saturday, April 25, 2026

বাস ভাড়ার নতুন তালিকা প্রকাশ, কোন রুটে কত বাড়ল

 



বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) আন্তজেলা ও দূরপাল্লার বিভিন্ন রুটের বাসযাত্রীদের জন্য নতুন নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহানগরীর রুটে পুনর্নির্ধারিত ভাড়ার তালিকাও প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

জ্বালানি তেল ডিজেলের দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে ২৩ এপ্রিল বাসভাড়া সমন্বয় করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। তবে ওইদিন ভাড়ার বিস্তারিত তালিকা প্রকাশ না হওয়ায় দূরপাল্লার বাসে ভাড়া নিয়ে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।র্

শনিবার বিআরটিএর ওয়েবসাইটে দেখা যায়, আন্তজেলা ও দূরপাল্লার বিভিন্ন রুটের পাশাপাশি ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর রুটে পুনর্নির্ধারিত ভাড়ার তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। জ্বালানি মূল্য সমন্বয়ের পর দূরপাল্লার বাসভাড়ার নতুন তালিকায় দেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রুটের ভাড়া তুলে ধরা হয়েছে।

সায়েদাবাদ রুট

ঢাকা (সায়েদাবাদ)-চট্টগ্রাম রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০৪ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ৫৫২ টাকা। ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৯০০ টাকা ও ৪০ আসনের বাসে ১ হাজার ১৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সায়েদাবাদ-সিলেট রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৫৮০ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ৭৪০ টাকা। সায়েদাবাদ-বরিশাল রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৪৬৪ টাকা, আর ৪০ আসনের বাসে ৫৯২ টাকা। সায়েদাবাদ-খুলনা রুটে ৫১ আসনের বাসভাড়া ৫৪১ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসভাড়া ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সবচেয়ে দীর্ঘ রুট সায়েদাবাদ-টেকনাফে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ১ হাজার ৪৭ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ১ হাজার ৩৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গাবতলী রুট

ঢাকা (গাবতলী)-পঞ্চগড় রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ১ হাজার ৫ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ১ হাজার ২৮১ টাকা। ঢাকা (গাবতলী)-রংপুর রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৭৫১ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ৯১১ টাকা। ঢাকা (গাবতলী)-দিনাজপুর রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৯৭৪ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ১ হাজার ২৪১ টাকা।

ঢাকা (গাবতলী)-ঝিনাইদহ রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৫০১ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ৬৩৯ টাকা। ঢাকা (গাবতলী)-রাজশাহী রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৭৭৭ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ৯৯১ টাকা। ঢাকা (গাবতলী)-মেহেরপুর রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৭৭৬ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ৯৮১ টাকা।

মহাখালী রুট

ঢাকা (মহাখালী)-ময়মনসিংহ রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ২৯৪ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ৩৭৫ টাকা। ঢাকা (মহাখালী)-জামালপুর রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৩৮৬ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ৪৯২ টাকা।

ঢাকা (মহাখালী)-শেরপুর রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৪২১ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ৫৩৭ টাকা। ঢাকা (মহাখালী)-কিশোরগঞ্জ রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৪০১ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ৫১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে ১৮ এপ্রিল রাতে সরকার জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করে। এতে ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে ১৩০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা এবং পেট্রল ১১৬ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা করা হয়।

এরপর ২৩ এপ্রিল ভাড়া সমন্বয় করে জারি করা প্রজ্ঞাপনে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে ৫২ আসনের বাসে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ২ টাকা ৪২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ৫৩ পয়সা করা হয়। আন্তজেলায় ভাড়া ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে ২ টাকা ২৩ পয়সা এবং ডিটিসিএ এলাকায় মিনিবাসে ২ টাকা ৩২ পয়সা থেকে ২ টাকা ৪৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ন্যূনতম ভাড়া বাসে ১০ টাকা ও মিনিবাসে ৮ টাকা আগের মতোই বহাল রাখা হয়েছে।

 সূত্রঃ  বিডি-প্রতিদিন/এআইডি



Monday, April 13, 2026

গরমের দিনে পান্তা ভাতে রয়েছে অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা

 




বাঙালির ঐতিহ্যবাহী খাবারের অন্যতম পান্তা ভাত। বিশেষ করে গরমের সময়ে অনেকেই খাদ্যতালিকায় এ খাবারকে গুরুত্ব দেন। পহেলা বৈশাখের উৎসবেও পান্তা-ইলিশ দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয় একটি ঐতিহ্যবাহী আয়োজন।


এক সময় গ্রাম-বাংলার কৃষকের সকালের প্রধান খাবার ছিল পান্তা ভাত। সারাদিন মাঠে কাজের শক্তি জোগাতে পান্তা ভাত দারুণ কাজ করে শরীরে। এখনও অনেক পরিবারে সরিষার তেল, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, লবণ ও ভাজা মাছের সঙ্গে পান্তা খাওয়ার চল রয়েছে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমের সময়ে পান্তা ভাত শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এতে রয়েছে বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা।

পান্তা ভাতে আয়রনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেড়ে যায়, যা রক্তশূন্যতা কমাতে সহায়ক হতে পারে। এছাড়া এতে উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়, যা হজমশক্তি বাড়াতে এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে।

এ খাবারে রয়েছে পটাসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদানও। গরম ভাতের তুলনায় পান্তা ভাতে চর্বির পরিমাণও কম থাকে, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান যারা তাদের জন্য এটি উপকারী হতে পারে। 

পান্তা ভাতকে অনেকেই শরীরের প্রাকৃতিক শীতলকারী খাবার হিসেবে মনে করেন। গরমের দিনে এটি শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া দীর্ঘ সময় কর্মক্ষম থাকতেও শক্তি জোগায়।

হলিক্রস মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পুষ্টিবিদ মাহিনুর ফেরদৌস জানিয়েছে, যারা অনিদ্রায় ভুগছেন তাদের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী খাবার। তিনি জানান,  পান্তা ভাতে রয়েছে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট যেমন আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, জিঙ্ক, ফসফরাস, ভিটামিন বি-৬ ও ভিটামিন বি-১২। 

এ পুষ্টিবিদ আরও জানান, ১০০ মিলিগ্রাম সাধারণ চালে যেখানে প্রায় ৩.৫ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে, সেখানে একই পরিমাণ পান্তা ভাতে পাওয়া যায় প্রায় ৭৩.৯ মিলিগ্রাম আয়রন। একইভাবে ক্যালসিয়ামের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়- সাধারণ চালে ২১ মিলিগ্রাম থাকলেও পান্তা ভাতে তা প্রায় ৮৫ মিলিগ্রাম পর্যন্ত হতে পারে। পান্তা ভাতে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও জিঙ্কের মাত্রাও তুলনামূলক বেশি পাওয়া যায়। 

এছাড়া ত্বকের সতেজতা ও তারুণ্য ধরে রাখতেও পান্তা ভাত সহায়ক বলে মনে করা হয়।

তাই গরমের এই সময়ে সকালে সরিষার তেল, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ ও লবণের সঙ্গে এক প্লেট পান্তা ভাত হতে পারে স্বাদ ও সুস্থতার দারুণ সমন্বয়।


সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক


Thursday, April 9, 2026

ইলিশের দাম কেজিতে বেড়েছে ৫০০ টাকা


 


বাংলা নববর্ষে ইলিশের থাকে আলাদা কদর। এজন্য এর চাহিদা থাকে তুঙ্গে। নববর্ষ আসতে বাকি মাত্র চার দিন। এর মধ্যেই রাজশাহীতে কেজিতে ৫০০-৭০০ বেড়েছে ইলিশের দাম। বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারেই দাম বেড়েছে। এজন্য বাড়তি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে বেচাকেনা কম।


গতকাল নগরীর সাহেববাজার, নিউমার্কেট, কোর্ট বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, কয়েক দিন আগের তুলনায় ইলিশের দাম বেড়েছে। ৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ সপ্তাহখানেক আগে বিক্রি হয়েছে ১১০০-১২০০ টাকায়। সেই মাছ এখন বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৬০০-১৮০০ টাকায়। ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম উঠেছে ২০০০-২৪০০ টাকায়।


 বড় আকারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২৫০০-৩০০০ টাকা কেজিতে। সাহেব বাজারের ক্রেতা লিটন আলী বলেন, অন্য মাছের দাম মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও ইলিশের দাম অনেক বেড়েছে। আগে যেগুলো ১ হাজার টাকায় বিক্রি হতো, এখন সেগুলো ১৭০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। পয়লা বৈশাখ এলেই চাহিদা বাড়ে। তাই দামও বাড়ে। তবে এত বেশি আগে বাড়েনি।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন


Sunday, April 5, 2026

যেকোনো সময় গ্রেপ্তার হতে পারেন সাখাওয়াত

 



যেকোনো সময় গ্রেপ্তার হতে পারেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও ওয়ান-ইলেভেনের সময়কার নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। ওয়ান-ইলেভেনের অন্যতম অনুকুশীলব, কুচক্রীদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে যোগাযোগ রক্ষা করা, বিএনপি ভাঙার অপচেষ্টা ও অতিরিক্ত ব্যালট পেপার ছাপানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ছাড়া সদ্য বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে তাঁর পুত্র এম সাফাক হোসেনের একচ্ছত্র প্রভাবে বন্দরে অচলাবস্থার সৃষ্টির বিষয়গুলো নিয়েও তদন্ত হবে বলে জানা গেছে। এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিন।


ওয়ান-ইলেভেনের সময় সাখাওয়াত হোসেন ছিলেন নির্বাচন কমিশনের প্রভাবশালী কমিশনার। সম্প্রতি লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও লে. জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তারের পর সাখাওয়াত হোসেন সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেছে। একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মূলত মইন, মাসুদের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি নির্বাচন কমিশনের কমিশনার হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। তার দায়িত্ব ছিল কমিশনের পক্ষে কুচক্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা।


তারা যেভাবে নির্দেশনা দিতেন তা বাস্তবায়ন করা। সে সময় বিএনপিকে ভাঙার অপচেষ্টার নেতৃত্বও তিনিই দিয়েছিলেন। সবচেয়ে গুরুতর অপরাধ হলো ২০০৮-এর নির্বাচনে বিএনপিকে পরাজিত করতে যে অতিরিক্ত ব্যালট পেপার ছাপানো হয়, সেগুলো তার তত্ত্বাবধানেই হয়েছিল। ব্যালটের ডিজাইনসহ অন্যান্য প্রিন্টিং তথ্য-উপাত্ত লে. জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে তিনি সরবরাহ করেছিলেন।


শেখ মামুন তখন ডিজিএফআইয়ের পরিচালক ছিলেন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন ড. এ টি এম শামসুল হুদা ও অপর কমিশনার ছিলেন মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন। সচিব ছিলেন হুমায়ূন কবির। মইন, মাসুদদের প্রভাবে এই তিনজনকে সব সময় চাপে রাখতেন সাখাওয়াত। সে কারণে সাখাওয়াতের সিদ্ধান্তের বাইরে তাদের কিছুই করার ছিল না।

এ সময় ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রকল্পের পিডি ছিলেন ব্রিগেডিয়ার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী। যুগ্ম সচিব ছিলেন ড. রফিকুল ইসলাম। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা কমিশনে এই দুইজনকে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেয়।

সূত্র জানিয়েছে, ওয়ান-ইলেভেনের সময় মইন, মাসুদ ও শেখ মামুনের অন্যতম সহযোগী হিসেবে যেসব অপকর্মের অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেগুলোর সত্যতা যাচাই করতে যেকোনো সময় গ্রেপ্তার হতে পারেন সাখাওয়াত হোসেন। বর্তমানে তিনি গোয়েন্দা নজরদারিতে আছেন বলেও একাধিক সূত্র বাংলাদেশ প্রতিদিনকে নিশ্চিত করেছে।

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ওয়ান-ইলেভেনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত হোসেনের অভিজ্ঞতা বিবেচনা করে অন্তর্বর্তী সরকারে তাকে উপদেষ্টা করা হয়। কিন্তু একপর্যায়ে নানান কর্মকাণ্ড ও কথাবার্তায় সরকার বিব্রত হলে তাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। 

এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং পদত্যাগের হুমকি দেন। কিন্তু সরকারের বিভিন্ন স্পর্শকাতর দপ্তরে তার কর্মকাণ্ডের কিছু তথ্যপ্রমাণ থাকার কারণে সেই সিদ্ধান্ত থেকে তিনি সরে আসেন। এরপর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার কিচেন কেবিনেটের সদস্যরা তাকে আর আস্থায় নিতে পারেননি। সে কারণে নির্বাচনসংক্রান্ত কোনো আলোচনায়ও তাকে রাখা হয়নি। অবশ্য কিচেন কেবিনেট ও নির্বাচনসংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তাকে না রাখার ব্যাপারে তিনি নিজেই সম্প্রতি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে তথ্য প্রকাশ করেছেন। সেই সাক্ষাৎকার প্রচারিত হওয়ার পর অন্য উপদেষ্টারা তার ওপর চরম ক্ষুব্ধ হন।

এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশ না করে একজন সাবেক উপদেষ্টা বলেন, ‘ওয়ান-ইলেভেনের সময় বিএনপির বিরুদ্ধে ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত হোসেন যা করেছেন, সেগুলো থেকে বাঁচার জন্য তিনি অর্ন্তবর্তী সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মতো বক্তব্য দিয়ে বিএনপির কাছে ভালো থাকার অপচেষ্টা করেছেন।’

এদিকে অর্ন্তবর্তী সরকারের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত হোসেনকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার পর তার পুত্র এম সাফাক হোসেন মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করতেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডেও সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক ছিল সাফাক হোসেনের। তার নেপথ্য নেতৃত্বেই চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার চক্রান্ত হয়। এ কাজ করার জন্য অনেক বড় লেনদেন হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া বে-টার্মিনালের পরিবহন টার্মিনাল প্রকল্পের মাটি ভরাট, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং অন্যান্য কাজের সব নিয়ন্ত্রণ করেন সাফাক হোসেন। তালতলা ইয়ার্ড নির্মাণের সব কাজ নিয়ন্ত্রণ করেন সাফাক হোসেন। 

চট্টগ্রাম বন্দরের ১ নম্বর গেটে ক্যামিক্যাল শেড নির্মাণকাজেও হস্তক্ষেপ করেন সাফাক। চট্টগ্রাম বন্দরের প্রতিটা সিভিল কাজের জন্য ৫ শতাংশ, ডিপিএমের (সরাসরি টেন্ডার পদ্ধতি) জন্য ১০ শতাংশ কমিশন নিতেন সাফাক। যন্ত্রাংশ ক্রয়ে অনিয়মে জড়িত ছিলেন উপদেষ্টাপুত্র। তিনি কাজের ধরনভেদে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কমিশন নিতেন। সাখাওয়াতপুত্রের নানান দুর্নীতির খবর এখন চট্টগ্রাম বন্দরে সবার মুখে মুখে। এসব অভিযোগও তদন্ত করা হবে বলে জানা গেছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন




Search This Blog

Powered by Blogger.

কোন দেশ কতবার বিশ্বকাপ জিতেছে

  ফুটবল বিশ্বকাপ—বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ক্রীড়া আসর। প্রায় এক শতাব্দীর ইতিহাসে বিভিন্ন দেশ একাধিকবার এই শিরোপা জিতেছে। সময়ের সঙ্গে স...