ইউরোপিয়ান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন-এ প্রকাশিত এক পাইলট স্টাডিতে দেখা গেছে, সফেদা, দশেরি ও ল্যাংড়া জাতের আম খাওয়ার পর রক্তে যতটা চিনি বাড়ে, তা রুটি খাওয়ার চেয়ে কম বা একই রকম।
৩৫ জন রোগীর ওপর ৮ সপ্তাহ ধরে আরেকটি গবেষণা করা হয়। ওই গবেষণায় দেখা গেছে, সকালে রুটির পরিবর্তে ২৫০ গ্রাম আম খেয়ে ওই রোগীরা রক্তে শর্করা, ইনসুলিন নেওয়ার সমস্যা, ওজন ও কোমরের মাপে উন্নতি দেখিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ বলছেন, এই ফল খাওয়ার আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি- একটি ছোট আমে আছে প্রায় ১৮০ ক্যালোরি। তাই এটি প্রতিদিনের ক্যালোরির হিসাব করে খেতে হবে। গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে থাকলে, দিনে একবার বা দুইবার অর্ধেক আম খাওয়া যেতে পারে। তবে তা খাবারের মাঝে খাওয়া ভালো, ডেজার্ট হিসেবে নয়।
তাই আম খেলেই যে বেড়ে যাবে ডায়াবেটিস, এমন ভাবনা ছেড়ে দিয়ে পরিমিতি, সচেতনতা ও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে আম হতে পারে আপনার গ্রীষ্মকালীন আনন্দের অংশ। তাই গ্রীষ্মে আম খান, কিন্তু জেনে-বুঝে।
তথ্যসূত্র: বিবিসি








.jpg)

