নীলফামারীর সৈয়য়দপুর উপজেলার সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে চলতি সেশনে ৪৯ জন শিক্ষার্থী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। গত বছর ২০২৪ সালে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৬২ জন শিক্ষার্থী মেডিক্যালে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলেন।
গতকাল রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। এতে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে ৪৯ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ পান।
এদের মধ্যে মেয়ে ৩৬ জন এবং ছেলে ১৩ জন। ভর্তির সুযোগপ্রাপ্তরা শিক্ষার্থীরা ঢাকার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ, চট্টগ্রাম, রংপুর, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, কৃষ্টিয়া, নোয়াখালী, নওগাঁ, দিনাজপুর, টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। সেই সঙ্গে ডেন্টাল ইউনিটেও কয়েকজন শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
কলেজ সূত্র জানায়, চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে ২৯৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন।
এদের মধ্যে শতভাগ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭০ জন পরীক্ষার্থী।
একই সঙ্গে ৪৯ জন শিক্ষার্থীর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি সুযোগ পাওয়ায় নিয়ে কথা হয় সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে।
তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুশৃঙ্খল ও মনোরম পরিবেশ, কঠোর তদারকি এবং পাঠদানে শিক্ষকদের আন্তরিকতা কারণে প্রতিবছর এইচএসসি ও ভর্তি পরীক্ষাগুলো আশানুরূপ ফলাফল করছে শিক্ষার্থীরা।
তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ ধারাবাহিক সফলতা ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে।
সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজে উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আতাউর রহমান বলেন, মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায় যেহেতু জীববিদ্যাকে অনেক বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। সে কারণে জীববিদ্যা বিষয়ে পুরো সিলেবাস শিক্ষার্থীদের পুখানুপুঙ্খভাবে পড়ানো হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজটি ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ ছিল সৈয়দপুর সরকারি কারিগরি মহাবিদ্যালয়।
পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে সৈয়দপুর সরকারি কারিগরি বিজ্ঞান কলেজ নামকরণ করা হয়। এরপর ২০১৯ সালে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ নতুন নামকরণ করা হয়।
সূত্র : কালের কন্ঠ

No comments:
Post a Comment